রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
সুন্দরগঞ্জে ফাস্ট কিউর ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের উদ্ধোধন সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: পানিবন্দি সাড়ে ১২ হাজার পরিবার ব্রহ্মপুত্র তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: পানি বৃদ্ধি অব্যাহত এমপিওতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত ফুলছড়িতে বন্যার পূর্ব প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ত্রিমোহনী-ফুলছড়ি সড়কটির বেহাল দশা: পথচারীদের দুর্ভোগ রামচন্দ্রপুর পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জনবল সংকটে চিকিৎসা সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ: যাত্রীদের দুর্ভোগ গাইবান্ধায় ১০৩ টাকায় ১৪৪ জন পুলিশের চাকরি পেল যাযাবর সাপুড়ে বহর যারা নিজস্ব ঐতিহ্যকে লালন করে অব্যাহত রেখেছে জীবন জীবিকা গাইবান্ধায় বাম জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সুন্দরগঞ্জে আবার তিস্তার ভাঙন ও পানি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি ঐতিহ্যবাহী ফুলছড়ি হাটে পাবলিক টয়লেটের উদ্বোধন এরশাদ লাইফ সাপোর্টে সাদুল্যাপুরে রংপুর মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পূনঃখননের কাজ সমাপ্ত নাকাইহাটের নলেয়া নদীর উপর সেতু না থাকায় পথ চলাচলে দুর্ভোগ গোবিন্দগঞ্জে ট্রাকচাপায় পথচারীর মৃত্যু বিশ্বে কমলেও, ধান উৎপাদন বাড়ছে বাংলাদেশে বাড়লো অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধন আবেদনের সময়
ত্রিমোহনী-ফুলছড়ি সড়কটির বেহাল দশা: পথচারীদের দুর্ভোগ

ত্রিমোহনী-ফুলছড়ি সড়কটির বেহাল দশা: পথচারীদের দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার ত্রিমোহনী থেকে ফুলছড়ি উপজেলা সদর কালীর বাজার রাস্তাটির বেহাল দশা। ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কাচা রাস্তাটি পাকাকরণে দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর উন্নয়নে নজর না দেয়ায় রাস্তাটি এখন পথচারীদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্র্রতিদিন এ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দিয়ে ওই এলাকার ৬ গ্রামের মানুষ ফুলছড়ি উপজেলা সদরসহ গাইবান্ধা জেলা সদরে যাতায়াত করেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা এবং গর্তের কারণে রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন তো দুরের কথা মানুষের চলাচলই কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া শুকনো মৌসুমেও ধুলাবালির কারণে ওই পথে লোক চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হয়।

ত্রিমোহনীর পিয়ারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ দিয়ে এ রাস্তাটি আলাই নদী ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অতিক্রম করে ফুলছড়ি উপজেলা সদর কালীর বাজারে গিয়ে সংযুক্ত হয়েছে। এ রাস্তাটি সম্পুর্ণ কাঁচা। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন এবং পায়ে হেঁটে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করে। রাস্তাটি এতই অসমতল ও এবড়োথেবড়ো যে, সন্ধ্যার পর একটু অন্ধকারে হেঁটে চলাচল করতে হোঁচট খেতে হয়। তাই অনেক সময় এ রাস্তা এড়িয়ে অনেকে ঘুর পথে চলাচল করে। দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি মেরামত বা এর উন্নয়নে কোন কাজ করা হয়নি।

এব্যাপারে এলাকাবাসিরা জানান, রাস্তাটি পাকা করার জন্য গাইবান্ধা সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের বরাবরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তারপরও রাস্তাটির কোন কাজ হচ্ছে না। সারাদেশের সবজায়গায় উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটির কোন উন্নয়ন হচ্ছে না। ওই এলাকার অটোরিক্সা চালক লোকমান হাকিম বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় অনেক কাদা হয়। এই কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে চলাচল করাই অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই রাস্তাটি দিয়ে অটোরিক্সা নিয়ে অনেক কষ্ট করে চলাচল করতে হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




Privacy Policy » Contact US » Terms of Use