বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
সুন্দরগঞ্জে ফাস্ট কিউর ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের উদ্ধোধন সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: পানিবন্দি সাড়ে ১২ হাজার পরিবার ব্রহ্মপুত্র তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: পানি বৃদ্ধি অব্যাহত এমপিওতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত ফুলছড়িতে বন্যার পূর্ব প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ত্রিমোহনী-ফুলছড়ি সড়কটির বেহাল দশা: পথচারীদের দুর্ভোগ রামচন্দ্রপুর পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জনবল সংকটে চিকিৎসা সুবিধা বঞ্চিত মানুষ গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ: যাত্রীদের দুর্ভোগ গাইবান্ধায় ১০৩ টাকায় ১৪৪ জন পুলিশের চাকরি পেল যাযাবর সাপুড়ে বহর যারা নিজস্ব ঐতিহ্যকে লালন করে অব্যাহত রেখেছে জীবন জীবিকা গাইবান্ধায় বাম জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সুন্দরগঞ্জে আবার তিস্তার ভাঙন ও পানি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি ঐতিহ্যবাহী ফুলছড়ি হাটে পাবলিক টয়লেটের উদ্বোধন এরশাদ লাইফ সাপোর্টে সাদুল্যাপুরে রংপুর মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পূনঃখননের কাজ সমাপ্ত নাকাইহাটের নলেয়া নদীর উপর সেতু না থাকায় পথ চলাচলে দুর্ভোগ গোবিন্দগঞ্জে ট্রাকচাপায় পথচারীর মৃত্যু বিশ্বে কমলেও, ধান উৎপাদন বাড়ছে বাংলাদেশে বাড়লো অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধন আবেদনের সময়
সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: পানিবন্দি সাড়ে ১২ হাজার পরিবার

সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: পানিবন্দি সাড়ে ১২ হাজার পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি দেখা দিয়েছে। ১৫ স্থানে ফাটল ধরায় হুমকির মুখে পড়েছে শ্রীপুর-সুন্দরগঞ্জ মুখী বন্যা নিয়ন্ত্রন বেরি বাঁধ।

গত ৯ দিন থেকে একটানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানির ঢলে উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বেলকা, হরিপুর, কাপাশিয়া, শ্রীপুর, চন্ডিপুর, তারাপুর, শান্তিরাম ও কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কয়েক হাজার ঘরবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তারা অনাহারে অর্ধাহারে জীবন যাপন করছেন। সরকারি ভাবে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারের ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই পরিবার পরিজন, গবাদিপশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বেরি বাঁধ ও উঁচু স্থানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। তারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও জ্বালানী না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এদিকে ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানসহ সমুদয় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গাইবান্ধা পাউবো কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ২৯.৪০ সে.মি ও ঘাঘট নদীর পানি ২২.২৬ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো’র এসডি সেলিম হোসেন জানান, হুমকির মুখে পড়া বন্যা নিয়ন্ত্রন বেরি বাঁধের ভাঙ্গন ঠেকাতে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বেলকা ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্ল্যাহ্ জানান, তার ইউনিয়নে ৫ সহ¯্রাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। এ পর্যন্ত পাওয়া ত্রাণ সামগ্রী চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৫’শ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। কিন্তু পানি বন্দির সংখ্যা আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদ জানান, বন্যার পানিতে ১০০ হেক্টর আউশ ধান, আমন বীজতলা ৮০ হেক্টর, সবজি ৮২ হেক্টর নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া ১০ হেক্টর জমির পাট ভেঙ্গে গেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-অর রশিদ জানান, চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার পানি ঢোকায় ৪২ টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোড়ল জানান, বন্যা কবলিত প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে স্বাস্থ্য সেবা টিম কাজ করছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারিরা বন্যায় আশ্রয় গ্রহণকারীদের কাছে যাচ্ছেন এবং স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোলেমান আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারের ব্যবস্থা না থাকলেও তাদের মাঝে এ পর্যন্ত ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে ৩’শ ৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও ৭০ মে.টন চাল বরাদ্দ পেয়ে বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া একশ মে.টন চালের জরুরী বরাদ্দ চেয়ে বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




Privacy Policy » Contact US » Terms of Use